চিংড়ি ও শামুক-ঝিনুক জাতীয় সামুদ্রিক খাবার কি হালাল?

আলেমদের মতভেদ আছে খাবার ও পানীয় কুরআন · 2

সংক্ষিপ্ত উত্তর

আলেমদের মতভেদ আছে। অধিকাংশের মতে সব সামুদ্রিক প্রাণী হালাল, কারণ কুরআন বলেছে সাগরের শিকার ও তার খাদ্য অনুমোদিত (৫:৯৬)। হানাফি মাজহাব শুধু মাছ অনুমোদন করে, চিংড়ির মতো অন্য সামুদ্রিক প্রাণী নয়, যদিও আজকাল অনেক হানাফি আলেম চিংড়ি অনুমোদন করেন। আপনি যে মাজহাব বা আলেমের ওপর নির্ভর করেন, তাঁর মত অনুসরণ করুন।

দলিল

কুরআন

أُحِلَّ لَكُمْ صَيْدُ ٱلْبَحْرِ وَطَعَامُهُۥ مَتَٰعًۭا لَّكُمْ وَلِلسَّيَّارَةِ ۖ وَحُرِّمَ عَلَيْكُمْ صَيْدُ ٱلْبَرِّ مَا دُمْتُمْ حُرُمًۭا ۗ وَٱتَّقُوا۟ ٱللَّهَ ٱلَّذِىٓ إِلَيْهِ تُحْشَرُونَ ﴿٩٦﴾

তোমাদের জন্য সমুদ্রের শিকার ও সুমুদ্রের খাদ্য হালাল করা হয়েছে তোমাদের উপকারার্থে এবং তোমাদের এহরামকারীদের জন্যে হারাম করা হয়েছে স্থল শিকার যতক্ষণ এহরাম অবস্থায় থাক। আল্লাহকে ভয় কর, যার কাছে তোমরা একত্রিত হবে।

وَهُوَ ٱلَّذِى سَخَّرَ ٱلْبَحْرَ لِتَأْكُلُوا۟ مِنْهُ لَحْمًۭا طَرِيًّۭا وَتَسْتَخْرِجُوا۟ مِنْهُ حِلْيَةًۭ تَلْبَسُونَهَا وَتَرَى ٱلْفُلْكَ مَوَاخِرَ فِيهِ وَلِتَبْتَغُوا۟ مِن فَضْلِهِۦ وَلَعَلَّكُمْ تَشْكُرُونَ ﴿١٤﴾

তিনিই কাজে লাগিয়ে দিয়েছেন সমুদ্রকে, যাতে তা থেকে তোমরা তাজা মাংস খেতে পার এবং তা থেকে বের করতে পার পরিধেয় অলঙ্কার। তুমি তাতে জলযান সমূহকে পানি চিরে চলতে দেখবে এবং যাতে তোমরা আল্লাহর কৃপা অন্বেষণ কর এবং যাতে তার অনুগ্রহ স্বীকার কর।

এটি সাধারণ তথ্য, ফতোয়া নয়। নিজের পরিস্থিতির জন্য একজন যোগ্য আলেমকে জিজ্ঞাসা করুন।

This page is translated with machine assistance and may contain mistakes. The English and Arabic versions are our reference. About our sources