কুরআনের 55 নম্বর সুরা

সুরা Ar-Rahman

মাদানী 78টি আয়াত পারা 27
Ar-Rahman

بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ

ٱلرَّحْمَٰنُ ﴿١﴾

করুনাময় আল্লাহ।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

عَلَّمَ ٱلْقُرْءَانَ ﴿٢﴾

শিক্ষা দিয়েছেন কোরআন,

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

خَلَقَ ٱلْإِنسَٰنَ ﴿٣﴾

সৃষ্টি করেছেন মানুষ,

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

عَلَّمَهُ ٱلْبَيَانَ ﴿٤﴾

তাকে শিখিয়েছেন বর্ণনা।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

ٱلشَّمْسُ وَٱلْقَمَرُ بِحُسْبَانٍۢ ﴿٥﴾

সূর্য ও চন্দ্র হিসাবমত চলে।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

وَٱلنَّجْمُ وَٱلشَّجَرُ يَسْجُدَانِ ﴿٦﴾

এবং তৃণলতা ও বৃক্ষাদি সেজদারত আছে।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

وَٱلسَّمَآءَ رَفَعَهَا وَوَضَعَ ٱلْمِيزَانَ ﴿٧﴾

তিনি আকাশকে করেছেন সমুন্নত এবং স্থাপন করেছেন তুলাদন্ড।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

أَلَّا تَطْغَوْا۟ فِى ٱلْمِيزَانِ ﴿٨﴾

যাতে তোমরা সীমালংঘন না কর তুলাদন্ডে।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

وَأَقِيمُوا۟ ٱلْوَزْنَ بِٱلْقِسْطِ وَلَا تُخْسِرُوا۟ ٱلْمِيزَانَ ﴿٩﴾

তোমরা ন্যায্য ওজন কায়েম কর এবং ওজনে কম দিয়ো না।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

وَٱلْأَرْضَ وَضَعَهَا لِلْأَنَامِ ﴿١٠﴾

তিনি পৃথিবীকে স্থাপন করেছেন সৃষ্টজীবের জন্যে।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

فِيهَا فَٰكِهَةٌۭ وَٱلنَّخْلُ ذَاتُ ٱلْأَكْمَامِ ﴿١١﴾

এতে আছে ফলমূল এবং বহিরাবরণবিশিষ্ট খর্জুর বৃক্ষ।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

وَٱلْحَبُّ ذُو ٱلْعَصْفِ وَٱلرَّيْحَانُ ﴿١٢﴾

আর আছে খোসাবিশিষ্ট শস্য ও সুগন্ধি ফুল।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

فَبِأَىِّ ءَالَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿١٣﴾

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অনুগ্রহকে অস্বীকার করবে?

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

خَلَقَ ٱلْإِنسَٰنَ مِن صَلْصَٰلٍۢ كَٱلْفَخَّارِ ﴿١٤﴾

তিনি মানুষকে সৃষ্টি করেছেন পোড়া মাটির ন্যায় শুষ্ক মৃত্তিকা থেকে।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

وَخَلَقَ ٱلْجَآنَّ مِن مَّارِجٍۢ مِّن نَّارٍۢ ﴿١٥﴾

এবং জিনকে সৃষ্টি করেছেন অগ্নিশিখা থেকে।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

فَبِأَىِّ ءَالَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿١٦﴾

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অনুগ্রহ অস্বীকার করবে?

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

رَبُّ ٱلْمَشْرِقَيْنِ وَرَبُّ ٱلْمَغْرِبَيْنِ ﴿١٧﴾

তিনি দুই উদয়াচল ও দুই অস্তাচলের মালিক।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

فَبِأَىِّ ءَالَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿١٨﴾

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

مَرَجَ ٱلْبَحْرَيْنِ يَلْتَقِيَانِ ﴿١٩﴾

তিনি পাশাপাশি দুই দরিয়া প্রবাহিত করেছেন।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

بَيْنَهُمَا بَرْزَخٌۭ لَّا يَبْغِيَانِ ﴿٢٠﴾

উভয়ের মাঝখানে রয়েছে এক অন্তরাল, যা তারা অতিক্রম করে না।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

فَبِأَىِّ ءَالَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٢١﴾

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

يَخْرُجُ مِنْهُمَا ٱللُّؤْلُؤُ وَٱلْمَرْجَانُ ﴿٢٢﴾

উভয় দরিয়া থেকে উৎপন্ন হয় মোতি ও প্রবাল।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

فَبِأَىِّ ءَالَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٢٣﴾

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

وَلَهُ ٱلْجَوَارِ ٱلْمُنشَـَٔاتُ فِى ٱلْبَحْرِ كَٱلْأَعْلَٰمِ ﴿٢٤﴾

দরিয়ায় বিচরণশীল পর্বতদৃশ্য জাহাজসমূহ তাঁরই (নিয়ন্ত্রনাধীন)

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

فَبِأَىِّ ءَالَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٢٥﴾

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

كُلُّ مَنْ عَلَيْهَا فَانٍۢ ﴿٢٦﴾

ভূপৃষ্টের সবকিছুই ধ্বংসশীল।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

وَيَبْقَىٰ وَجْهُ رَبِّكَ ذُو ٱلْجَلَٰلِ وَٱلْإِكْرَامِ ﴿٢٧﴾

একমাত্র আপনার মহিমায় ও মহানুভব পালনকর্তার সত্তা ছাড়া।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

فَبِأَىِّ ءَالَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٢٨﴾

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

يَسْـَٔلُهُۥ مَن فِى ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ ۚ كُلَّ يَوْمٍ هُوَ فِى شَأْنٍۢ ﴿٢٩﴾

নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের সবাই তাঁর কাছে প্রার্থী। তিনি সর্বদাই কোন না কোন কাজে রত আছেন।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

فَبِأَىِّ ءَالَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٣٠﴾

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

سَنَفْرُغُ لَكُمْ أَيُّهَ ٱلثَّقَلَانِ ﴿٣١﴾

হে জিন ও মানব! আমি শীঘ্রই তোমাদের জন্যে কর্মমুক্ত হয়ে যাব।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

فَبِأَىِّ ءَالَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٣٢﴾

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

يَٰمَعْشَرَ ٱلْجِنِّ وَٱلْإِنسِ إِنِ ٱسْتَطَعْتُمْ أَن تَنفُذُوا۟ مِنْ أَقْطَارِ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ فَٱنفُذُوا۟ ۚ لَا تَنفُذُونَ إِلَّا بِسُلْطَٰنٍۢ ﴿٣٣﴾

হে জিন ও মানবকূল, নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের প্রান্ত অতিক্রম করা যদি তোমাদের সাধ্যে কুলায়, তবে অতিক্রম কর। কিন্তু ছাড়পত্র ব্যতীত তোমরা তা অতিক্রম করতে পারবে না।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

فَبِأَىِّ ءَالَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٣٤﴾

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

يُرْسَلُ عَلَيْكُمَا شُوَاظٌۭ مِّن نَّارٍۢ وَنُحَاسٌۭ فَلَا تَنتَصِرَانِ ﴿٣٥﴾

ছাড়া হবে তোমাদের প্রতি অগ্নিস্ফুলিঙ্গ ও ধুম্রকুঞ্জ তখন তোমরা সেসব প্রতিহত করতে পারবে না।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

فَبِأَىِّ ءَالَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٣٦﴾

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

فَإِذَا ٱنشَقَّتِ ٱلسَّمَآءُ فَكَانَتْ وَرْدَةًۭ كَٱلدِّهَانِ ﴿٣٧﴾

যেদিন আকাশ বিদীর্ণ হবে তখন সেটি রক্তবর্ণে রঞ্জিত চামড়ার মত হয়ে যাবে।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

فَبِأَىِّ ءَالَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٣٨﴾

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

فَيَوْمَئِذٍۢ لَّا يُسْـَٔلُ عَن ذَنۢبِهِۦٓ إِنسٌۭ وَلَا جَآنٌّۭ ﴿٣٩﴾

সেদিন মানুষ না তার অপরাধ সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হবে, না জিন।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

فَبِأَىِّ ءَالَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٤٠﴾

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

يُعْرَفُ ٱلْمُجْرِمُونَ بِسِيمَٰهُمْ فَيُؤْخَذُ بِٱلنَّوَٰصِى وَٱلْأَقْدَامِ ﴿٤١﴾

অপরাধীদের পরিচয় পাওয়া যাবে তাদের চেহারা থেকে; অতঃপর তাদের কপালের চুল ও পা ধরে টেনে নেয়া হবে।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

فَبِأَىِّ ءَالَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٤٢﴾

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

هَٰذِهِۦ جَهَنَّمُ ٱلَّتِى يُكَذِّبُ بِهَا ٱلْمُجْرِمُونَ ﴿٤٣﴾

এটাই জাহান্নাম, যাকে অপরাধীরা মিথ্যা বলত।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

يَطُوفُونَ بَيْنَهَا وَبَيْنَ حَمِيمٍ ءَانٍۢ ﴿٤٤﴾

তারা জাহান্নামের অগ্নি ও ফুটন্ত পানির মাঝখানে প্রদক্ষিণ করবে।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

فَبِأَىِّ ءَالَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٤٥﴾

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

وَلِمَنْ خَافَ مَقَامَ رَبِّهِۦ جَنَّتَانِ ﴿٤٦﴾

যে ব্যক্তি তার পালনকর্তার সামনে পেশ হওয়ার ভয় রাখে, তার জন্যে রয়েছে দু’টি উদ্যান।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

فَبِأَىِّ ءَالَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٤٧﴾

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

ذَوَاتَآ أَفْنَانٍۢ ﴿٤٨﴾

উভয় উদ্যানই ঘন শাখা-পল্লববিশিষ্ট।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

فَبِأَىِّ ءَالَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٤٩﴾

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

فِيهِمَا عَيْنَانِ تَجْرِيَانِ ﴿٥٠﴾

উভয় উদ্যানে আছে বহমান দুই প্রস্রবন।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

فَبِأَىِّ ءَالَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٥١﴾

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

فِيهِمَا مِن كُلِّ فَٰكِهَةٍۢ زَوْجَانِ ﴿٥٢﴾

উভয়ের মধ্যে প্রত্যেক ফল বিভিন্ন রকমের হবে।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

فَبِأَىِّ ءَالَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٥٣﴾

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

مُتَّكِـِٔينَ عَلَىٰ فُرُشٍۭ بَطَآئِنُهَا مِنْ إِسْتَبْرَقٍۢ ۚ وَجَنَى ٱلْجَنَّتَيْنِ دَانٍۢ ﴿٥٤﴾

তারা তথায় রেশমের আস্তরবিশিষ্ট বিছানায় হেলান দিয়ে বসবে। উভয় উদ্যানের ফল তাদের নিকট ঝুলবে।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

فَبِأَىِّ ءَالَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٥٥﴾

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

فِيهِنَّ قَٰصِرَٰتُ ٱلطَّرْفِ لَمْ يَطْمِثْهُنَّ إِنسٌۭ قَبْلَهُمْ وَلَا جَآنٌّۭ ﴿٥٦﴾

তথায় থাকবে আনতনয়ন রমনীগন, কোন জিন ও মানব পূর্বে যাদের ব্যবহার করেনি।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

فَبِأَىِّ ءَالَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٥٧﴾

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

كَأَنَّهُنَّ ٱلْيَاقُوتُ وَٱلْمَرْجَانُ ﴿٥٨﴾

প্রবাল ও পদ্মরাগ সদৃশ রমণীগণ।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

فَبِأَىِّ ءَالَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٥٩﴾

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

هَلْ جَزَآءُ ٱلْإِحْسَٰنِ إِلَّا ٱلْإِحْسَٰنُ ﴿٦٠﴾

সৎকাজের প্রতিদান উত্তম পুরস্কার ব্যতীত কি হতে পারে?

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

فَبِأَىِّ ءَالَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٦١﴾

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

وَمِن دُونِهِمَا جَنَّتَانِ ﴿٦٢﴾

এই দু’টি ছাড়া আরও দু’টি উদ্যান রয়েছে।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

فَبِأَىِّ ءَالَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٦٣﴾

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

مُدْهَآمَّتَانِ ﴿٦٤﴾

কালোমত ঘন সবুজ।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

فَبِأَىِّ ءَالَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٦٥﴾

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

فِيهِمَا عَيْنَانِ نَضَّاخَتَانِ ﴿٦٦﴾

তথায় আছে উদ্বেলিত দুই প্রস্রবণ।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

فَبِأَىِّ ءَالَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٦٧﴾

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

فِيهِمَا فَٰكِهَةٌۭ وَنَخْلٌۭ وَرُمَّانٌۭ ﴿٦٨﴾

তথায় আছে ফল-মূল, খর্জুর ও আনার।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

فَبِأَىِّ ءَالَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٦٩﴾

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

فِيهِنَّ خَيْرَٰتٌ حِسَانٌۭ ﴿٧٠﴾

সেখানে থাকবে সচ্চরিত্রা সুন্দরী রমণীগণ।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

فَبِأَىِّ ءَالَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٧١﴾

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

حُورٌۭ مَّقْصُورَٰتٌۭ فِى ٱلْخِيَامِ ﴿٧٢﴾

তাঁবুতে অবস্থানকারিণী হুরগণ।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

فَبِأَىِّ ءَالَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٧٣﴾

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

لَمْ يَطْمِثْهُنَّ إِنسٌۭ قَبْلَهُمْ وَلَا جَآنٌّۭ ﴿٧٤﴾

কোন জিন ও মানব পূর্বে তাদেরকে স্পর্শ করেনি।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

فَبِأَىِّ ءَالَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٧٥﴾

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

مُتَّكِـِٔينَ عَلَىٰ رَفْرَفٍ خُضْرٍۢ وَعَبْقَرِىٍّ حِسَانٍۢ ﴿٧٦﴾

তারা সবুজ মসনদে এবং উৎকৃষ্ট মূল্যবান বিছানায় হেলান দিয়ে বসবে।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

فَبِأَىِّ ءَالَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٧٧﴾

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

تَبَٰرَكَ ٱسْمُ رَبِّكَ ذِى ٱلْجَلَٰلِ وَٱلْإِكْرَامِ ﴿٧٨﴾

কত পূণ্যময় আপনার পালনকর্তার নাম, যিনি মহিমাময় ও মহানুভব।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

Ar-Rahman 78টির মধ্যে আয়াত 1

আরবি পাঠ: উসমানি লিপি। অনুবাদ: Muhiuddin Khan। অডিও: everyayah.com।

সুরা Ar-Rahman সম্পর্কে

সুরা Ar-Rahman (الرحمن) কুরআনের 55 নম্বর সুরা। এতে 78টি আয়াত আছে এবং এটি পারা 27-এ রয়েছে। এটি মাদানী সুরা হিসেবে গণ্য, অর্থাৎ নবী ﷺ-এর মদিনায় হিজরতের পরে মূলত নাজিল হয়েছিল।

এর নাম الرحمن, আরবিতে সুরাটি এ নামেই পরিচিত।

সুরা Ar-Rahman সম্পর্কে প্রশ্ন

সুরা Ar-Rahman-এ কতটি আয়াত আছে?

সুরা Ar-Rahman-এ 78টি আয়াত আছে।

সুরা Ar-Rahman মাক্কী না মাদানী?

শ্রেণিবিভাগ: মাদানী।

সুরা Ar-Rahman কোন পারায়?

সুরা Ar-Rahman পারা 27-এ।

সুরা Ar-Rahman কোথায় শুনতে পারি?

আয়াত ধরে ধরে শুনতে এই পৃষ্ঠায় প্লে চাপুন, তিলাওয়াত করেছেন আবদুর রহমান আস-সুদাইস, মিশারি আলাফাসি, মাহমুদ খলিল আল-হুসারি, আবদুল বাসিত আবদুস সামাদ, মাহের আল-মুয়াইকিলি, সাদ আল-গামিদি, আহমাদ আল-আজমি, আবু বকর আশ-শাতরি, হানি আর-রিফাঈ, মুহাম্মাদ সিদ্দিক আল-মিনশাবি, আলি আল-হুযাইফি, মুহাম্মাদ আইয়ুব, আবদুল্লাহ বাসফার, ইয়াসির আদ-দোসারি, নাসের আল-কাতামি, সালাহ আল-বুদাইর, সউদ আশ-শুরাইম, আবদুল্লাহ আওয়াদ আল-জুহানি, মুহাম্মাদ জিবরীল।

This page is translated with machine assistance and may contain mistakes. The English and Arabic versions are our reference. About our sources