কুরআনের 37 নম্বর সুরা

সুরা As-Saffat

মাক্কী 182টি আয়াত পারা 23
As-Saffat

بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ

وَٱلصَّٰٓفَّٰتِ صَفًّۭا ﴿١﴾

শপথ তাদের যারা সারিবদ্ধ হয়ে দাঁড়ানো,

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

فَٱلزَّٰجِرَٰتِ زَجْرًۭا ﴿٢﴾

অতঃপর ধমকিয়ে ভীতি প্রদর্শনকারীদের,

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

فَٱلتَّٰلِيَٰتِ ذِكْرًا ﴿٣﴾

অতঃপর মুখস্থ আবৃত্তিকারীদের-

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

إِنَّ إِلَٰهَكُمْ لَوَٰحِدٌۭ ﴿٤﴾

নিশ্চয় তোমাদের মাবুদ এক।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

رَّبُّ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ وَمَا بَيْنَهُمَا وَرَبُّ ٱلْمَشَٰرِقِ ﴿٥﴾

তিনি আসমান সমূহ, যমীনও এতদুভয়ের মধ্যবর্তী সবকিছুর পালনকর্তা এবং পালনকর্তা উদয়াচলসমূহের।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

إِنَّا زَيَّنَّا ٱلسَّمَآءَ ٱلدُّنْيَا بِزِينَةٍ ٱلْكَوَاكِبِ ﴿٦﴾

নিশ্চয় আমি নিকটবর্তী আকাশকে তারকারাজির দ্বারা সুশোভিত করেছি।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

وَحِفْظًۭا مِّن كُلِّ شَيْطَٰنٍۢ مَّارِدٍۢ ﴿٧﴾

এবং তাকে সংরক্ষিত করেছি প্রত্যেক অবাধ্য শয়তান থেকে।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

لَّا يَسَّمَّعُونَ إِلَى ٱلْمَلَإِ ٱلْأَعْلَىٰ وَيُقْذَفُونَ مِن كُلِّ جَانِبٍۢ ﴿٨﴾

ওরা উর্ধ্ব জগতের কোন কিছু শ্রবণ করতে পারে না এবং চার দিক থেকে তাদের প্রতি উল্কা নিক্ষেপ করা হয়।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

دُحُورًۭا ۖ وَلَهُمْ عَذَابٌۭ وَاصِبٌ ﴿٩﴾

ওদেরকে বিতাড়নের উদ্দেশে। ওদের জন্যে রয়েছে বিরামহীন শাস্তি।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

إِلَّا مَنْ خَطِفَ ٱلْخَطْفَةَ فَأَتْبَعَهُۥ شِهَابٌۭ ثَاقِبٌۭ ﴿١٠﴾

তবে কেউ ছোঁ মেরে কিছু শুনে ফেললে জ্বলন্ত উল্কাপিন্ড তার পশ্চাদ্ধাবন করে।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

فَٱسْتَفْتِهِمْ أَهُمْ أَشَدُّ خَلْقًا أَم مَّنْ خَلَقْنَآ ۚ إِنَّا خَلَقْنَٰهُم مِّن طِينٍۢ لَّازِبٍۭ ﴿١١﴾

আপনি তাদেরকে জিজ্ঞেস করুন, তাদেরকে সৃষ্টি করা কঠিনতর, না আমি অন্য যা সৃষ্টি করেছি? আমিই তাদেরকে সৃষ্টি করেছি এঁটেল মাটি থেকে।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

بَلْ عَجِبْتَ وَيَسْخَرُونَ ﴿١٢﴾

বরং আপনি বিস্ময় বোধ করেন আর তারা বিদ্রুপ করে।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

وَإِذَا ذُكِّرُوا۟ لَا يَذْكُرُونَ ﴿١٣﴾

যখন তাদেরকে বোঝানো হয়, তখন তারা বোঝে না।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

وَإِذَا رَأَوْا۟ ءَايَةًۭ يَسْتَسْخِرُونَ ﴿١٤﴾

তারা যখন কোন নিদর্শন দেখে তখন বিদ্রূপ করে।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

وَقَالُوٓا۟ إِنْ هَٰذَآ إِلَّا سِحْرٌۭ مُّبِينٌ ﴿١٥﴾

এবং বলে, কিছুই নয়, এযে স্পষ্ট যাদু।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

أَءِذَا مِتْنَا وَكُنَّا تُرَابًۭا وَعِظَٰمًا أَءِنَّا لَمَبْعُوثُونَ ﴿١٦﴾

আমরা যখন মরে যাব, এবং মাটি ও হাড়ে পরিণত হয়ে যাব, তখনও কি আমরা পুনরুত্থিত হব?

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

أَوَءَابَآؤُنَا ٱلْأَوَّلُونَ ﴿١٧﴾

আমাদের পিতৃপুরুষগণও কি?

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

قُلْ نَعَمْ وَأَنتُمْ دَٰخِرُونَ ﴿١٨﴾

বলুন, হ্যাঁ এবং তোমরা হবে লাঞ্ছিত।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

فَإِنَّمَا هِىَ زَجْرَةٌۭ وَٰحِدَةٌۭ فَإِذَا هُمْ يَنظُرُونَ ﴿١٩﴾

বস্তুতঃ সে উত্থান হবে একটি বিকট শব্দ মাত্র-যখন তারা প্রত্যক্ষ করতে থাকবে।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

وَقَالُوا۟ يَٰوَيْلَنَا هَٰذَا يَوْمُ ٱلدِّينِ ﴿٢٠﴾

এবং বলবে, দুর্ভাগ্য আমাদের! এটাই তো প্রতিফল দিবস।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

هَٰذَا يَوْمُ ٱلْفَصْلِ ٱلَّذِى كُنتُم بِهِۦ تُكَذِّبُونَ ﴿٢١﴾

বলা হবে, এটাই ফয়সালার দিন, যাকে তোমরা মিথ্যা বলতে।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

۞ ٱحْشُرُوا۟ ٱلَّذِينَ ظَلَمُوا۟ وَأَزْوَٰجَهُمْ وَمَا كَانُوا۟ يَعْبُدُونَ ﴿٢٢﴾

একত্রিত কর গোনাহগারদেরকে, তাদের দোসরদেরকে এবং যাদের এবাদত তারা করত।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

مِن دُونِ ٱللَّهِ فَٱهْدُوهُمْ إِلَىٰ صِرَٰطِ ٱلْجَحِيمِ ﴿٢٣﴾

আল্লাহ ব্যতীত। অতঃপর তাদেরকে পরিচালিত কর জাহান্নামের পথে,

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

وَقِفُوهُمْ ۖ إِنَّهُم مَّسْـُٔولُونَ ﴿٢٤﴾

এবং তাদেরকে থামাও, তারা জিজ্ঞাসিত হবে;

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

مَا لَكُمْ لَا تَنَاصَرُونَ ﴿٢٥﴾

তোমাদের কি হল যে, তোমরা একে অপরের সাহায্য করছ না?

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

بَلْ هُمُ ٱلْيَوْمَ مُسْتَسْلِمُونَ ﴿٢٦﴾

বরং তারা আজকের দিনে আত্নসমর্পণকারী।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

وَأَقْبَلَ بَعْضُهُمْ عَلَىٰ بَعْضٍۢ يَتَسَآءَلُونَ ﴿٢٧﴾

তারা একে অপরের দিকে মুখ করে পরস্পরকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

قَالُوٓا۟ إِنَّكُمْ كُنتُمْ تَأْتُونَنَا عَنِ ٱلْيَمِينِ ﴿٢٨﴾

বলবে, তোমরা তো আমাদের কাছে ডান দিক থেকে আসতে।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

قَالُوا۟ بَل لَّمْ تَكُونُوا۟ مُؤْمِنِينَ ﴿٢٩﴾

তারা বলবে, বরং তোমরা তো বিশ্বাসীই ছিলে না।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

وَمَا كَانَ لَنَا عَلَيْكُم مِّن سُلْطَٰنٍۭ ۖ بَلْ كُنتُمْ قَوْمًۭا طَٰغِينَ ﴿٣٠﴾

এবং তোমাদের উপর আমাদের কোন কতৃত্ব ছিল না, বরং তোমরাই ছিলে সীমালংঘনকারী সম্প্রদায়।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

فَحَقَّ عَلَيْنَا قَوْلُ رَبِّنَآ ۖ إِنَّا لَذَآئِقُونَ ﴿٣١﴾

আমাদের বিপক্ষে আমাদের পালনকর্তার উক্তিই সত্য হয়েছে। আমাদেরকে অবশই স্বাদ আস্বাদন করতে হবে।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

فَأَغْوَيْنَٰكُمْ إِنَّا كُنَّا غَٰوِينَ ﴿٣٢﴾

আমরা তোমাদেরকে পথভ্রষ্ট করেছিলাম। কারণ আমরা নিজেরাই পথভ্রষ্ট ছিলাম।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

فَإِنَّهُمْ يَوْمَئِذٍۢ فِى ٱلْعَذَابِ مُشْتَرِكُونَ ﴿٣٣﴾

তারা সবাই সেদিন শান্তিতে শরীক হবে।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

إِنَّا كَذَٰلِكَ نَفْعَلُ بِٱلْمُجْرِمِينَ ﴿٣٤﴾

অপরাধীদের সাথে আমি এমনি ব্যবহার করে থাকি।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

إِنَّهُمْ كَانُوٓا۟ إِذَا قِيلَ لَهُمْ لَآ إِلَٰهَ إِلَّا ٱللَّهُ يَسْتَكْبِرُونَ ﴿٣٥﴾

তাদের যখন বলা হত, আল্লাহ ব্যতীত কোন উপাস্য েনই, তখন তারা ঔদ্ধত্য প্রদর্শন করত।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

وَيَقُولُونَ أَئِنَّا لَتَارِكُوٓا۟ ءَالِهَتِنَا لِشَاعِرٍۢ مَّجْنُونٍۭ ﴿٣٦﴾

এবং বলত, আমরা কি এক উম্মাদ কবির কথায় আমাদের উপাস্যদেরকে পরিত্যাগ করব।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

بَلْ جَآءَ بِٱلْحَقِّ وَصَدَّقَ ٱلْمُرْسَلِينَ ﴿٣٧﴾

না, তিনি সত্যসহ আগমন করেছেন এবং রসূলগণের সত্যতা স্বীকার করেছেন।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

إِنَّكُمْ لَذَآئِقُوا۟ ٱلْعَذَابِ ٱلْأَلِيمِ ﴿٣٨﴾

তোমরা অবশ্যই বেদনাদায়ক শাস্তি আস্বাদন করবে।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

وَمَا تُجْزَوْنَ إِلَّا مَا كُنتُمْ تَعْمَلُونَ ﴿٣٩﴾

তোমরা যা করতে, তারই প্রতিফল পাবে।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

إِلَّا عِبَادَ ٱللَّهِ ٱلْمُخْلَصِينَ ﴿٤٠﴾

তবে তারা নয়, যারা আল্লাহর বাছাই করা বান্দা।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

أُو۟لَٰٓئِكَ لَهُمْ رِزْقٌۭ مَّعْلُومٌۭ ﴿٤١﴾

তাদের জন্যে রয়েছে নির্ধারিত রুযি।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

فَوَٰكِهُ ۖ وَهُم مُّكْرَمُونَ ﴿٤٢﴾

ফল-মূল এবং তারা সম্মানিত।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

فِى جَنَّٰتِ ٱلنَّعِيمِ ﴿٤٣﴾

নেয়ামতের উদ্যানসমূহ।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

عَلَىٰ سُرُرٍۢ مُّتَقَٰبِلِينَ ﴿٤٤﴾

মুখোমুখি হয়ে আসনে আসীন।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

يُطَافُ عَلَيْهِم بِكَأْسٍۢ مِّن مَّعِينٍۭ ﴿٤٥﴾

তাদেরকে ঘুরে ফিরে পরিবেশন করা হবে স্বচ্ছ পানপাত্র।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

بَيْضَآءَ لَذَّةٍۢ لِّلشَّٰرِبِينَ ﴿٤٦﴾

সুশুভ্র, যা পানকারীদের জন্যে সুস্বাদু।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

لَا فِيهَا غَوْلٌۭ وَلَا هُمْ عَنْهَا يُنزَفُونَ ﴿٤٧﴾

তাতে মাথা ব্যথার উপাদান নেই এবং তারা তা পান করে মাতালও হবে না।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

وَعِندَهُمْ قَٰصِرَٰتُ ٱلطَّرْفِ عِينٌۭ ﴿٤٨﴾

তাদের কাছে থাকবে নত, আয়তলোচনা তরুণীগণ।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

كَأَنَّهُنَّ بَيْضٌۭ مَّكْنُونٌۭ ﴿٤٩﴾

যেন তারা সুরক্ষিত ডিম।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

فَأَقْبَلَ بَعْضُهُمْ عَلَىٰ بَعْضٍۢ يَتَسَآءَلُونَ ﴿٥٠﴾

অতঃপর তারা একে অপরের দিকে মুখ করে জিজ্ঞাসাবাদ করবে।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

قَالَ قَآئِلٌۭ مِّنْهُمْ إِنِّى كَانَ لِى قَرِينٌۭ ﴿٥١﴾

তাদের একজন বলবে, আমার এক সঙ্গী ছিল।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

يَقُولُ أَءِنَّكَ لَمِنَ ٱلْمُصَدِّقِينَ ﴿٥٢﴾

সে বলত, তুমি কি বিশ্বাস কর যে,

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

أَءِذَا مِتْنَا وَكُنَّا تُرَابًۭا وَعِظَٰمًا أَءِنَّا لَمَدِينُونَ ﴿٥٣﴾

আমরা যখন মরে যাব এবং মাটি ও হাড়ে পরিণত হব, তখনও কি আমরা প্রতিফল প্রাপ্ত হব?

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

قَالَ هَلْ أَنتُم مُّطَّلِعُونَ ﴿٥٤﴾

আল্লাহ বলবেন, তোমরা কি তাকে উকি দিয়ে দেখতে চাও?

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

فَٱطَّلَعَ فَرَءَاهُ فِى سَوَآءِ ٱلْجَحِيمِ ﴿٥٥﴾

অপর সে উকি দিয়ে দেখবে এবং তাকে জাহান্নামের মাঝখানে দেখতে পাবে।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

قَالَ تَٱللَّهِ إِن كِدتَّ لَتُرْدِينِ ﴿٥٦﴾

সে বলবে, আল্লাহর কসম, তুমি তো আমাকে প্রায় ধ্বংসই করে দিয়েছিলে।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

وَلَوْلَا نِعْمَةُ رَبِّى لَكُنتُ مِنَ ٱلْمُحْضَرِينَ ﴿٥٧﴾

আমার পালনকর্তার অনুগ্রহ না হলে আমিও যে গ্রেফতারকৃতদের সাথেই উপস্থিত হতাম।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

أَفَمَا نَحْنُ بِمَيِّتِينَ ﴿٥٨﴾

এখন আমাদের আর মৃত্যু হবে না।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

إِلَّا مَوْتَتَنَا ٱلْأُولَىٰ وَمَا نَحْنُ بِمُعَذَّبِينَ ﴿٥٩﴾

আমাদের প্রথম মৃত্যু ছাড়া এবং আমরা শাস্তি প্রাপ্তও হব না।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

إِنَّ هَٰذَا لَهُوَ ٱلْفَوْزُ ٱلْعَظِيمُ ﴿٦٠﴾

নিশ্চয় এই মহা সাফল্য।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

لِمِثْلِ هَٰذَا فَلْيَعْمَلِ ٱلْعَٰمِلُونَ ﴿٦١﴾

এমন সাফল্যের জন্যে পরিশ্রমীদের পরিশ্রম করা উচিত।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

أَذَٰلِكَ خَيْرٌۭ نُّزُلًا أَمْ شَجَرَةُ ٱلزَّقُّومِ ﴿٦٢﴾

এই কি উত্তম আপ্যায়ন, না যাক্কুম বৃক্ষ?

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

إِنَّا جَعَلْنَٰهَا فِتْنَةًۭ لِّلظَّٰلِمِينَ ﴿٦٣﴾

আমি যালেমদের জন্যে একে বিপদ করেছি।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

إِنَّهَا شَجَرَةٌۭ تَخْرُجُ فِىٓ أَصْلِ ٱلْجَحِيمِ ﴿٦٤﴾

এটি একটি বৃক্ষ, যা উদগত হয় জাহান্নামের মূলে।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

طَلْعُهَا كَأَنَّهُۥ رُءُوسُ ٱلشَّيَٰطِينِ ﴿٦٥﴾

এর গুচ্ছ শয়তানের মস্তকের মত।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

فَإِنَّهُمْ لَءَاكِلُونَ مِنْهَا فَمَالِـُٔونَ مِنْهَا ٱلْبُطُونَ ﴿٦٦﴾

কাফেররা একে ভক্ষণ করবে এবং এর দ্বারা উদর পূর্ণ করবে।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

ثُمَّ إِنَّ لَهُمْ عَلَيْهَا لَشَوْبًۭا مِّنْ حَمِيمٍۢ ﴿٦٧﴾

তদুপরি তাদেরকে দেয়া হবে। ফুটন্ত পানির মিশ্রণ,

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

ثُمَّ إِنَّ مَرْجِعَهُمْ لَإِلَى ٱلْجَحِيمِ ﴿٦٨﴾

অতঃপর তাদের প্রত্যাবর্তন হবে জাহান্নামের দিকে।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

إِنَّهُمْ أَلْفَوْا۟ ءَابَآءَهُمْ ضَآلِّينَ ﴿٦٩﴾

তারা তাদের পূর্বপুরুষদেরকে পেয়েছিল বিপথগামী।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

فَهُمْ عَلَىٰٓ ءَاثَٰرِهِمْ يُهْرَعُونَ ﴿٧٠﴾

অতঃপর তারা তদের পদাংক অনুসরণে তৎপর ছিল।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

وَلَقَدْ ضَلَّ قَبْلَهُمْ أَكْثَرُ ٱلْأَوَّلِينَ ﴿٧١﴾

তাদের পূর্বেও অগ্রবর্তীদের অধিকাংশ বিপথগামী হয়েছিল।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

وَلَقَدْ أَرْسَلْنَا فِيهِم مُّنذِرِينَ ﴿٧٢﴾

আমি তাদের মধ্যে ভীতি প্রদর্শনকারী প্রেরণ করেছিলাম।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

فَٱنظُرْ كَيْفَ كَانَ عَٰقِبَةُ ٱلْمُنذَرِينَ ﴿٧٣﴾

অতএব লক্ষ্য করুন, যাদেরকে ভীতিপ্রদর্শণ করা হয়েছিল, তাদের পরিণতি কি হয়েছে।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

إِلَّا عِبَادَ ٱللَّهِ ٱلْمُخْلَصِينَ ﴿٧٤﴾

তবে আল্লাহর বাছাই করা বান্দাদের কথা ভিন্ন।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

وَلَقَدْ نَادَىٰنَا نُوحٌۭ فَلَنِعْمَ ٱلْمُجِيبُونَ ﴿٧٥﴾

আর নূহ আমাকে ডেকেছিল। আর কি চমৎকারভাবে আমি তার ডাকে সাড়া দিয়েছিলাম।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

وَنَجَّيْنَٰهُ وَأَهْلَهُۥ مِنَ ٱلْكَرْبِ ٱلْعَظِيمِ ﴿٧٦﴾

আমি তাকে ও তার পরিবারবর্গকে এক মহাসংকট থেকে রক্ষা করেছিলাম।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

وَجَعَلْنَا ذُرِّيَّتَهُۥ هُمُ ٱلْبَاقِينَ ﴿٧٧﴾

এবং তার বংশধরদেরকেই আমি অবশিষ্ট রেখেছিলাম।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

وَتَرَكْنَا عَلَيْهِ فِى ٱلْءَاخِرِينَ ﴿٧٨﴾

আমি তার জন্যে পরবর্তীদের মধ্যে এ বিষয় রেখে দিয়েছি যে,

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

سَلَٰمٌ عَلَىٰ نُوحٍۢ فِى ٱلْعَٰلَمِينَ ﴿٧٩﴾

বিশ্ববাসীর মধ্যে নূহের প্রতি শান্তি বর্ষিত হোক।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

إِنَّا كَذَٰلِكَ نَجْزِى ٱلْمُحْسِنِينَ ﴿٨٠﴾

আমি এভাবেই সৎকর্ম পরায়নদেরকে পুরস্কৃত করে থাকি।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

إِنَّهُۥ مِنْ عِبَادِنَا ٱلْمُؤْمِنِينَ ﴿٨١﴾

সে ছিল আমার ঈমানদার বান্দাদের অন্যতম।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

ثُمَّ أَغْرَقْنَا ٱلْءَاخَرِينَ ﴿٨٢﴾

অতঃপর আমি অপরাপর সবাইকে নিমজ্জত করেছিলাম।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

۞ وَإِنَّ مِن شِيعَتِهِۦ لَإِبْرَٰهِيمَ ﴿٨٣﴾

আর নূহ পন্থীদেরই একজন ছিল ইব্রাহীম।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

إِذْ جَآءَ رَبَّهُۥ بِقَلْبٍۢ سَلِيمٍ ﴿٨٤﴾

যখন সে তার পালনকর্তার নিকট সুষ্ঠু চিত্তে উপস্থিত হয়েছিল,

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

إِذْ قَالَ لِأَبِيهِ وَقَوْمِهِۦ مَاذَا تَعْبُدُونَ ﴿٨٥﴾

যখন সে তার পিতা ও সম্প্রদায়কে বলেছিলঃ তোমরা কিসের উপাসনা করছ?

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

أَئِفْكًا ءَالِهَةًۭ دُونَ ٱللَّهِ تُرِيدُونَ ﴿٨٦﴾

তোমরা কি আল্লাহ ব্যতীত মিথ্যা উপাস্য কামনা করছ?

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

فَمَا ظَنُّكُم بِرَبِّ ٱلْعَٰلَمِينَ ﴿٨٧﴾

বিশ্বজগতের পালনকর্তা সম্পর্কে তোমাদের ধারণা কি?

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

فَنَظَرَ نَظْرَةًۭ فِى ٱلنُّجُومِ ﴿٨٨﴾

অতঃপর সে একবার তারকাদের প্রতি লক্ষ্য করল।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

فَقَالَ إِنِّى سَقِيمٌۭ ﴿٨٩﴾

এবং বললঃ আমি পীড়িত।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

فَتَوَلَّوْا۟ عَنْهُ مُدْبِرِينَ ﴿٩٠﴾

অতঃপর তারা তার প্রতি পিঠ ফিরিয়ে চলে গেল।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

فَرَاغَ إِلَىٰٓ ءَالِهَتِهِمْ فَقَالَ أَلَا تَأْكُلُونَ ﴿٩١﴾

অতঃপর সে তাদের দেবালয়ে, গিয়ে ঢুকল এবং বললঃ তোমরা খাচ্ছ না কেন?

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

مَا لَكُمْ لَا تَنطِقُونَ ﴿٩٢﴾

তোমাদের কি হল যে, কথা বলছ না?

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

فَرَاغَ عَلَيْهِمْ ضَرْبًۢا بِٱلْيَمِينِ ﴿٩٣﴾

অতঃপর সে প্রবল আঘাতে তাদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ল।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

فَأَقْبَلُوٓا۟ إِلَيْهِ يَزِفُّونَ ﴿٩٤﴾

তখন লোকজন তার দিকে ছুটে এলো ভীত-সন্ত্রস্ত পদে।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

قَالَ أَتَعْبُدُونَ مَا تَنْحِتُونَ ﴿٩٥﴾

সে বললঃ তোমরা স্বহস্ত নির্মিত পাথরের পূজা কর কেন?

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

وَٱللَّهُ خَلَقَكُمْ وَمَا تَعْمَلُونَ ﴿٩٦﴾

অথচ আল্লাহ তোমাদেরকে এবং তোমরা যা নির্মাণ করছ সবাইকে সৃষ্টি করেছেন।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

قَالُوا۟ ٱبْنُوا۟ لَهُۥ بُنْيَٰنًۭا فَأَلْقُوهُ فِى ٱلْجَحِيمِ ﴿٩٧﴾

তারা বললঃ এর জন্যে একটি ভিত নির্মাণ কর এবং অতঃপর তাকে আগুনের স্তুপে নিক্ষেপ কর।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

فَأَرَادُوا۟ بِهِۦ كَيْدًۭا فَجَعَلْنَٰهُمُ ٱلْأَسْفَلِينَ ﴿٩٨﴾

তারপর তারা তার বিরুদ্ধে মহা ষড়যন্ত্র আঁটতে চাইল, কিন্তু আমি তাদেরকেই পরাভূত করে দিলাম।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

وَقَالَ إِنِّى ذَاهِبٌ إِلَىٰ رَبِّى سَيَهْدِينِ ﴿٩٩﴾

সে বললঃ আমি আমার পালনকর্তার দিকে চললাম, তিনি আমাকে পথপ্রদর্শন করবেন।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

رَبِّ هَبْ لِى مِنَ ٱلصَّٰلِحِينَ ﴿١٠٠﴾

হে আমার পরওয়ারদেগার! আমাকে এক সৎপুত্র দান কর।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

فَبَشَّرْنَٰهُ بِغُلَٰمٍ حَلِيمٍۢ ﴿١٠١﴾

সুতরাং আমি তাকে এক সহনশীল পুত্রের সুসংবাদ দান করলাম।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

فَلَمَّا بَلَغَ مَعَهُ ٱلسَّعْىَ قَالَ يَٰبُنَىَّ إِنِّىٓ أَرَىٰ فِى ٱلْمَنَامِ أَنِّىٓ أَذْبَحُكَ فَٱنظُرْ مَاذَا تَرَىٰ ۚ قَالَ يَٰٓأَبَتِ ٱفْعَلْ مَا تُؤْمَرُ ۖ سَتَجِدُنِىٓ إِن شَآءَ ٱللَّهُ مِنَ ٱلصَّٰبِرِينَ ﴿١٠٢﴾

অতঃপর সে যখন পিতার সাথে চলাফেরা করার বয়সে উপনীত হল, তখন ইব্রাহীম তাকে বললঃ বৎস! আমি স্বপ্নে দেখিযে, তোমাকে যবেহ করছি; এখন তোমার অভিমত কি দেখ। সে বললঃ পিতাঃ! আপনাকে যা আদেশ করা হয়েছে, তাই করুন। আল্লাহ চাহে তো আপনি আমাকে সবরকারী পাবেন।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

فَلَمَّآ أَسْلَمَا وَتَلَّهُۥ لِلْجَبِينِ ﴿١٠٣﴾

যখন পিতা-পুত্র উভয়েই আনুগত্য প্রকাশ করল এবং ইব্রাহীম তাকে যবেহ করার জন্যে শায়িত করল।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

وَنَٰدَيْنَٰهُ أَن يَٰٓإِبْرَٰهِيمُ ﴿١٠٤﴾

তখন আমি তাকে ডেকে বললামঃ হে ইব্রাহীম,

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

قَدْ صَدَّقْتَ ٱلرُّءْيَآ ۚ إِنَّا كَذَٰلِكَ نَجْزِى ٱلْمُحْسِنِينَ ﴿١٠٥﴾

তুমি তো স্বপ্নকে সত্যে পরিণত করে দেখালে! আমি এভাবেই সৎকর্মীদেরকে প্রতিদান দিয়ে থাকি।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

إِنَّ هَٰذَا لَهُوَ ٱلْبَلَٰٓؤُا۟ ٱلْمُبِينُ ﴿١٠٦﴾

নিশ্চয় এটা এক সুস্পষ্ট পরীক্ষা।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

وَفَدَيْنَٰهُ بِذِبْحٍ عَظِيمٍۢ ﴿١٠٧﴾

আমি তার পরিবর্তে দিলাম যবেহ করার জন্যে এক মহান জন্তু।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

وَتَرَكْنَا عَلَيْهِ فِى ٱلْءَاخِرِينَ ﴿١٠٨﴾

আমি তার জন্যে এ বিষয়টি পরবর্তীদের মধ্যে রেখে দিয়েছি যে,

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

سَلَٰمٌ عَلَىٰٓ إِبْرَٰهِيمَ ﴿١٠٩﴾

ইব্রাহীমের প্রতি সালাম বর্ষিত হোক।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

كَذَٰلِكَ نَجْزِى ٱلْمُحْسِنِينَ ﴿١١٠﴾

এমনিভাবে আমি সৎকর্মীদেরকে প্রতিদান দিয়ে থাকি।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

إِنَّهُۥ مِنْ عِبَادِنَا ٱلْمُؤْمِنِينَ ﴿١١١﴾

সে ছিল আমার বিশ্বাসী বান্দাদের একজন।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

وَبَشَّرْنَٰهُ بِإِسْحَٰقَ نَبِيًّۭا مِّنَ ٱلصَّٰلِحِينَ ﴿١١٢﴾

আমি তাকে সুসংবাদ দিয়েছি ইসহাকের, সে সৎকর্মীদের মধ্য থেকে একজন নবী।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

وَبَٰرَكْنَا عَلَيْهِ وَعَلَىٰٓ إِسْحَٰقَ ۚ وَمِن ذُرِّيَّتِهِمَا مُحْسِنٌۭ وَظَالِمٌۭ لِّنَفْسِهِۦ مُبِينٌۭ ﴿١١٣﴾

তাকে এবং ইসহাককে আমি বরকত দান করেছি। তাদের বংশধরদের মধ্যে কতক সৎকর্মী এবং কতক নিজেদের উপর স্পষ্ট জুলুমকারী।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

وَلَقَدْ مَنَنَّا عَلَىٰ مُوسَىٰ وَهَٰرُونَ ﴿١١٤﴾

আমি অনুগ্রহ করেছিলাম মূসা ও হারুনের প্রতি।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

وَنَجَّيْنَٰهُمَا وَقَوْمَهُمَا مِنَ ٱلْكَرْبِ ٱلْعَظِيمِ ﴿١١٥﴾

তাদেরকে ও তাদের সম্প্রদায়কে উদ্ধার করেছি মহা সংকট থেকে।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

وَنَصَرْنَٰهُمْ فَكَانُوا۟ هُمُ ٱلْغَٰلِبِينَ ﴿١١٦﴾

আমি তাদেরকে সাহায্য করেছিলাম, ফলে তারাই ছিল বিজয়ী।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

وَءَاتَيْنَٰهُمَا ٱلْكِتَٰبَ ٱلْمُسْتَبِينَ ﴿١١٧﴾

আমি উভয়কে দিয়েছিলাম সুস্পষ্ট কিতাব।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

وَهَدَيْنَٰهُمَا ٱلصِّرَٰطَ ٱلْمُسْتَقِيمَ ﴿١١٨﴾

এবং তাদেরকে সরল পথ প্রদর্শন করেছিলাম।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

وَتَرَكْنَا عَلَيْهِمَا فِى ٱلْءَاخِرِينَ ﴿١١٩﴾

আমি তাদের জন্যে পরবর্তীদের মধ্যে এ বিষয় রেখে দিয়েছি যে,

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

سَلَٰمٌ عَلَىٰ مُوسَىٰ وَهَٰرُونَ ﴿١٢٠﴾

মূসা ও হারুনের প্রতি সালাম বর্ষিত হোক।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

إِنَّا كَذَٰلِكَ نَجْزِى ٱلْمُحْسِنِينَ ﴿١٢١﴾

এভাবে আমি সৎকর্মীদেরকে প্রতিদান দিয়ে থাকি।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

إِنَّهُمَا مِنْ عِبَادِنَا ٱلْمُؤْمِنِينَ ﴿١٢٢﴾

তারা উভয়েই ছিল আমার বিশ্বাসী বান্দাদের অন্যতম।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

وَإِنَّ إِلْيَاسَ لَمِنَ ٱلْمُرْسَلِينَ ﴿١٢٣﴾

নিশ্চয়ই ইলিয়াস ছিল রসূল।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

إِذْ قَالَ لِقَوْمِهِۦٓ أَلَا تَتَّقُونَ ﴿١٢٤﴾

যখন সে তার সম্প্রদায়কে বললঃ তোমরা কি ভয় কর না ?

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

أَتَدْعُونَ بَعْلًۭا وَتَذَرُونَ أَحْسَنَ ٱلْخَٰلِقِينَ ﴿١٢٥﴾

তোমরা কি বা’আল দেবতার এবাদত করবে এবং সর্বোত্তম স্রষ্টাকে পরিত্যাগ করবে।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

ٱللَّهَ رَبَّكُمْ وَرَبَّ ءَابَآئِكُمُ ٱلْأَوَّلِينَ ﴿١٢٦﴾

যিনি আল্লাহ তোমাদের পালনকর্তা এবং তোমাদের পূর্বপুরুষদের পালনকর্তা?

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

فَكَذَّبُوهُ فَإِنَّهُمْ لَمُحْضَرُونَ ﴿١٢٧﴾

অতঃপর তারা তাকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করল। অতএব তারা অবশ্যই গ্রেফতার হয়ে আসবে।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

إِلَّا عِبَادَ ٱللَّهِ ٱلْمُخْلَصِينَ ﴿١٢٨﴾

কিন্তু আল্লাহ তা’আলার খাঁটি বান্দাগণ নয়।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

وَتَرَكْنَا عَلَيْهِ فِى ٱلْءَاخِرِينَ ﴿١٢٩﴾

আমি তার জন্যে পরবর্তীদের মধ্যে এ বিষয়ে রেখে দিয়েছি যে,

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

سَلَٰمٌ عَلَىٰٓ إِلْ يَاسِينَ ﴿١٣٠﴾

ইলিয়াসের প্রতি সালাম বর্ষিত হোক!

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

إِنَّا كَذَٰلِكَ نَجْزِى ٱلْمُحْسِنِينَ ﴿١٣١﴾

এভাবেই আমি সৎকর্মীদেরকে প্রতিদান দিয়ে থাকি।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

إِنَّهُۥ مِنْ عِبَادِنَا ٱلْمُؤْمِنِينَ ﴿١٣٢﴾

সে ছিল আমার বিশ্বাসী বান্দাদের অন্তর্ভূক্ত।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

وَإِنَّ لُوطًۭا لَّمِنَ ٱلْمُرْسَلِينَ ﴿١٣٣﴾

নিশ্চয় লূত ছিলেন রসূলগণের একজন।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

إِذْ نَجَّيْنَٰهُ وَأَهْلَهُۥٓ أَجْمَعِينَ ﴿١٣٤﴾

যখন আমি তাকেও তার পরিবারের সবাইকে উদ্ধার করেছিলাম;

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

إِلَّا عَجُوزًۭا فِى ٱلْغَٰبِرِينَ ﴿١٣٥﴾

কিন্তু এক বৃদ্ধাকে ছাড়া; সে অন্যান্যদের সঙ্গে থেকে গিয়েছিল।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

ثُمَّ دَمَّرْنَا ٱلْءَاخَرِينَ ﴿١٣٦﴾

অতঃপর অবশিষ্টদেরকে আমি সমূলে উৎপাটিত করেছিলাম।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

وَإِنَّكُمْ لَتَمُرُّونَ عَلَيْهِم مُّصْبِحِينَ ﴿١٣٧﴾

তোমরা তোমাদের ধ্বংস স্তুপের উপর দিয়ে গমন কর ভোর বেলায়

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

وَبِٱلَّيْلِ ۗ أَفَلَا تَعْقِلُونَ ﴿١٣٨﴾

এবং সন্ধ্যায়, তার পরেও কি তোমরা বোঝ না?

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

وَإِنَّ يُونُسَ لَمِنَ ٱلْمُرْسَلِينَ ﴿١٣٩﴾

আর ইউনুসও ছিলেন পয়গম্বরগণের একজন।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

إِذْ أَبَقَ إِلَى ٱلْفُلْكِ ٱلْمَشْحُونِ ﴿١٤٠﴾

যখন পালিয়ে তিনি বোঝাই নৌকায় গিয়ে পৌঁছেছিলেন।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

فَسَاهَمَ فَكَانَ مِنَ ٱلْمُدْحَضِينَ ﴿١٤١﴾

অতঃপর লটারী (সুরতি) করালে তিনি দোষী সাব্যস্ত হলেন।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

فَٱلْتَقَمَهُ ٱلْحُوتُ وَهُوَ مُلِيمٌۭ ﴿١٤٢﴾

অতঃপর একটি মাছ তাঁকে গিলে ফেলল, তখন তিনি অপরাধী গণ্য হয়েছিলেন।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

فَلَوْلَآ أَنَّهُۥ كَانَ مِنَ ٱلْمُسَبِّحِينَ ﴿١٤٣﴾

যদি তিনি আল্লাহর তসবীহ পাঠ না করতেন,

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

لَلَبِثَ فِى بَطْنِهِۦٓ إِلَىٰ يَوْمِ يُبْعَثُونَ ﴿١٤٤﴾

তবে তাঁকে কেয়ামত দিবস পর্যন্ত মাছের পেটেই থাকতে হত।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

۞ فَنَبَذْنَٰهُ بِٱلْعَرَآءِ وَهُوَ سَقِيمٌۭ ﴿١٤٥﴾

অতঃপর আমি তাঁকে এক বিস্তীর্ণ-বিজন প্রান্তরে নিক্ষেপ করলাম, তখন তিনি ছিলেন রুগ্ন।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

وَأَنۢبَتْنَا عَلَيْهِ شَجَرَةًۭ مِّن يَقْطِينٍۢ ﴿١٤٦﴾

আমি তাঁর উপর এক লতাবিশিষ্ট বৃক্ষ উদগত করলাম।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

وَأَرْسَلْنَٰهُ إِلَىٰ مِا۟ئَةِ أَلْفٍ أَوْ يَزِيدُونَ ﴿١٤٧﴾

এবং তাঁকে, লক্ষ বা ততোধিক লোকের প্রতি প্রেরণ করলাম।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

فَـَٔامَنُوا۟ فَمَتَّعْنَٰهُمْ إِلَىٰ حِينٍۢ ﴿١٤٨﴾

তারা বিশ্বাস স্থাপন করল অতঃপর আমি তাদেরকে নির্ধারিত সময় পর্যন্ত জীবনোপভোগ করতে দিলাম।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

فَٱسْتَفْتِهِمْ أَلِرَبِّكَ ٱلْبَنَاتُ وَلَهُمُ ٱلْبَنُونَ ﴿١٤٩﴾

এবার তাদেরকে জিজ্ঞেস করুন, তোমার পালনকর্তার জন্যে কি কন্যা সন্তান রয়েছে এবং তাদের জন্যে কি পুত্র-সন্তান।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

أَمْ خَلَقْنَا ٱلْمَلَٰٓئِكَةَ إِنَٰثًۭا وَهُمْ شَٰهِدُونَ ﴿١٥٠﴾

না কি আমি তাদের উপস্থিতিতে ফেরেশতাগণকে নারীরূপে সৃষ্টি করেছি?

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

أَلَآ إِنَّهُم مِّنْ إِفْكِهِمْ لَيَقُولُونَ ﴿١٥١﴾

জেনো, তারা মনগড়া উক্তি করে যে,

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

وَلَدَ ٱللَّهُ وَإِنَّهُمْ لَكَٰذِبُونَ ﴿١٥٢﴾

আল্লাহ সন্তান জন্ম দিয়েছেন। নিশ্চয় তারা মিথ্যাবাদী।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

أَصْطَفَى ٱلْبَنَاتِ عَلَى ٱلْبَنِينَ ﴿١٥٣﴾

তিনি কি পুত্র-সন্তানের স্থলে কন্যা-সন্তান পছন্দ করেছেন?

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

مَا لَكُمْ كَيْفَ تَحْكُمُونَ ﴿١٥٤﴾

তোমাদের কি হল? তোমাদের এ কেমন সিন্ধান্ত?

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

أَفَلَا تَذَكَّرُونَ ﴿١٥٥﴾

তোমরা কি অনুধাবন কর না?

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

أَمْ لَكُمْ سُلْطَٰنٌۭ مُّبِينٌۭ ﴿١٥٦﴾

না কি তোমাদের কাছে সুস্পষ্ট কোন দলীল রয়েছে?

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

فَأْتُوا۟ بِكِتَٰبِكُمْ إِن كُنتُمْ صَٰدِقِينَ ﴿١٥٧﴾

তোমরা সত্যবাদী হলে তোমাদের কিতাব আন।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

وَجَعَلُوا۟ بَيْنَهُۥ وَبَيْنَ ٱلْجِنَّةِ نَسَبًۭا ۚ وَلَقَدْ عَلِمَتِ ٱلْجِنَّةُ إِنَّهُمْ لَمُحْضَرُونَ ﴿١٥٨﴾

তারা আল্লাহ ও জ্বিনদের মধ্যে সম্পর্ক সাব্যস্ত করেছে, অথচ জ্বিনেরা জানে যে, তারা গ্রেফতার হয়ে আসবে।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

سُبْحَٰنَ ٱللَّهِ عَمَّا يَصِفُونَ ﴿١٥٩﴾

তারা যা বলে তা থেকে আল্লাহ পবিত্র।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

إِلَّا عِبَادَ ٱللَّهِ ٱلْمُخْلَصِينَ ﴿١٦٠﴾

তবে যারা আল্লাহর নিষ্ঠাবান বান্দা, তারা গ্রেফতার হয়ে আসবে না।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

فَإِنَّكُمْ وَمَا تَعْبُدُونَ ﴿١٦١﴾

অতএব তোমরা এবং তোমরা যাদের উপাসনা কর,

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

مَآ أَنتُمْ عَلَيْهِ بِفَٰتِنِينَ ﴿١٦٢﴾

তাদের কাউকেই তোমরা আল্লাহ সম্পর্কে বিভ্রান্ত করতে পারবে না।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

إِلَّا مَنْ هُوَ صَالِ ٱلْجَحِيمِ ﴿١٦٣﴾

শুধুমাত্র তাদের ছাড়া যারা জাহান্নামে পৌছাবে।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

وَمَا مِنَّآ إِلَّا لَهُۥ مَقَامٌۭ مَّعْلُومٌۭ ﴿١٦٤﴾

আমাদের প্রত্যেকের জন্য রয়েছে নির্দিষ্ট স্থান।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

وَإِنَّا لَنَحْنُ ٱلصَّآفُّونَ ﴿١٦٥﴾

এবং আমরাই সারিবদ্ধভাবে দন্ডায়মান থাকি।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

وَإِنَّا لَنَحْنُ ٱلْمُسَبِّحُونَ ﴿١٦٦﴾

এবং আমরাই আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা করি।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

وَإِن كَانُوا۟ لَيَقُولُونَ ﴿١٦٧﴾

তারা তো বলতঃ

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

لَوْ أَنَّ عِندَنَا ذِكْرًۭا مِّنَ ٱلْأَوَّلِينَ ﴿١٦٨﴾

যদি আমাদের কাছে পূর্ববর্তীদের কোন উপদেশ থাকত,

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

لَكُنَّا عِبَادَ ٱللَّهِ ٱلْمُخْلَصِينَ ﴿١٦٩﴾

তবে আমরা অবশ্যই আল্লাহর মনোনীত বান্দা হতাম।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

فَكَفَرُوا۟ بِهِۦ ۖ فَسَوْفَ يَعْلَمُونَ ﴿١٧٠﴾

বস্তুতঃ তারা এই কোরআনকে অস্বীকার করেছে। এখন শীঘ্রই তারা জেনে নিতে পারবে,

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

وَلَقَدْ سَبَقَتْ كَلِمَتُنَا لِعِبَادِنَا ٱلْمُرْسَلِينَ ﴿١٧١﴾

আমার রাসূল ও বান্দাগণের ব্যাপারে আমার এই বাক্য সত্য হয়েছে যে,

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

إِنَّهُمْ لَهُمُ ٱلْمَنصُورُونَ ﴿١٧٢﴾

অবশ্যই তারা সাহায্য প্রাপ্ত হয়।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

وَإِنَّ جُندَنَا لَهُمُ ٱلْغَٰلِبُونَ ﴿١٧٣﴾

আর আমার বাহিনীই হয় বিজয়ী।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

فَتَوَلَّ عَنْهُمْ حَتَّىٰ حِينٍۢ ﴿١٧٤﴾

অতএব আপনি কিছুকালের জন্যে তাদেরকে উপেক্ষা করুন।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

وَأَبْصِرْهُمْ فَسَوْفَ يُبْصِرُونَ ﴿١٧٥﴾

এবং তাদেরকে দেখতে থাকুন। শীঘ্রই তারাও এর পরিণাম দেখে নেবে।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

أَفَبِعَذَابِنَا يَسْتَعْجِلُونَ ﴿١٧٦﴾

আমার আযাব কি তারা দ্রুত কামনা করে?

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

فَإِذَا نَزَلَ بِسَاحَتِهِمْ فَسَآءَ صَبَاحُ ٱلْمُنذَرِينَ ﴿١٧٧﴾

অতঃপর যখন তাদের আঙ্গিনায় আযাব নাযিল হবে, তখন যাদেরকে সতর্ক করা হয়েছিল, তাদের সকাল বেলাটি হবে খুবই মন্দ।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

وَتَوَلَّ عَنْهُمْ حَتَّىٰ حِينٍۢ ﴿١٧٨﴾

আপনি কিছুকালের জন্যে তাদেরকে উপেক্ষা করুন।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

وَأَبْصِرْ فَسَوْفَ يُبْصِرُونَ ﴿١٧٩﴾

এবং দেখতে থাকুন, শীঘ্রই তারাও এর পরিণাম দেখে নেবে।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

سُبْحَٰنَ رَبِّكَ رَبِّ ٱلْعِزَّةِ عَمَّا يَصِفُونَ ﴿١٨٠﴾

পবিত্র আপনার পরওয়ারদেগারের সত্তা, তিনি সম্মানিত ও পবিত্র যা তারা বর্ণনা করে তা থেকে।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

وَسَلَٰمٌ عَلَى ٱلْمُرْسَلِينَ ﴿١٨١﴾

পয়গম্বরগণের প্রতি সালাম বর্ষিত হোক।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

وَٱلْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ ٱلْعَٰلَمِينَ ﴿١٨٢﴾

সমস্ত প্রশংসা বিশ্বপালক আল্লাহর নিমিত্ত।

তাফসির আল-মুয়াসসার (আরবি)

As-Saffat 182টির মধ্যে আয়াত 1

আরবি পাঠ: উসমানি লিপি। অনুবাদ: Muhiuddin Khan। অডিও: everyayah.com।

সুরা As-Saffat সম্পর্কে

সুরা As-Saffat (الصافات) কুরআনের 37 নম্বর সুরা। এতে 182টি আয়াত আছে এবং এটি পারা 23-এ রয়েছে। এটি মাক্কী সুরা হিসেবে গণ্য, অর্থাৎ নবী ﷺ-এর মদিনায় হিজরতের আগে মূলত নাজিল হয়েছিল।

এর নাম الصافات, আরবিতে সুরাটি এ নামেই পরিচিত।

সুরা As-Saffat সম্পর্কে প্রশ্ন

সুরা As-Saffat-এ কতটি আয়াত আছে?

সুরা As-Saffat-এ 182টি আয়াত আছে।

সুরা As-Saffat মাক্কী না মাদানী?

শ্রেণিবিভাগ: মাক্কী।

সুরা As-Saffat কোন পারায়?

সুরা As-Saffat পারা 23-এ।

সুরা As-Saffat কোথায় শুনতে পারি?

আয়াত ধরে ধরে শুনতে এই পৃষ্ঠায় প্লে চাপুন, তিলাওয়াত করেছেন আবদুর রহমান আস-সুদাইস, মিশারি আলাফাসি, মাহমুদ খলিল আল-হুসারি, আবদুল বাসিত আবদুস সামাদ, মাহের আল-মুয়াইকিলি, সাদ আল-গামিদি, আহমাদ আল-আজমি, আবু বকর আশ-শাতরি, হানি আর-রিফাঈ, মুহাম্মাদ সিদ্দিক আল-মিনশাবি, আলি আল-হুযাইফি, মুহাম্মাদ আইয়ুব, আবদুল্লাহ বাসফার, ইয়াসির আদ-দোসারি, নাসের আল-কাতামি, সালাহ আল-বুদাইর, সউদ আশ-শুরাইম, আবদুল্লাহ আওয়াদ আল-জুহানি, মুহাম্মাদ জিবরীল।

This page is translated with machine assistance and may contain mistakes. The English and Arabic versions are our reference. About our sources