أَعُوذُ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيطَانِ الرَّجِيمِ ﴿اللَّهُ لاَ إِلَهَ إِلاَّ هُوَ الْحَيُّ الْقَيُّومُ لاَ تَأْخُذُهُ سِنَةٌ وَلاَ نَوْمٌ لَّهُ مَا فِي السَّمَوَاتِ وَمَا فِي الأَرْضِ مَن ذَا الَّذِي يَشْفَعُ عِنْدَهُ إِلاَّ بِإِذْنِهِ يَعْلَمُ مَا بَيْنَ أَيْدِيهِمْ وَمَا خَلْفَهُمْ وَلاَ يُحِيطُونَ بِشَيْءٍ مِّنْ عِلْمِهِ إِلاَّ بِمَا شَاء وَسِعَ كُرْسِيُّهُ السَّمَوَاتِ وَالْأَرْضَ وَلاَ يَؤُودُهُ حِفْظُهُمَا وَهُوَ الْعَلِيُّ الْعَظِيمُ﴾.
আল্লাহ, তিনি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই; তিনি চিরঞ্জীব, সবকিছুর ধারক। তন্দ্রা ও নিদ্রা তাঁকে স্পর্শ করে না। আসমানসমূহ ও যমীনে যা কিছু আছে সবই তাঁর। কে আছে এমন, যে তাঁর অনুমতি ছাড়া তাঁর কাছে সুপারিশ করতে পারে? তাদের সামনে ও পেছনে যা কিছু আছে তা তিনি জানেন। আর তিনি যা চান তা ছাড়া তাঁর জ্ঞানের কোনো কিছুই তারা আয়ত্ত করতে পারে না। তাঁর কুরসি আসমানসমূহ ও যমীন জুড়ে বিস্তৃত, এবং এ দুটির রক্ষণাবেক্ষণ তাঁকে ক্লান্ত করে না। আর তিনিই সর্বোচ্চ, সর্বমহান।
(بسم الله الرحمن الرحيم ﴿قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ اللَّهُ الصَّمَدُ لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُولَدْ وَلَمْ يَكُن لَّهُ كُفُواً أَحَدٌ﴾.) (بسم الله الرحمن الرحيم ﴿قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ الْفَلَقِ مِن شَرِّ مَا خَلَقَ وَمِن شَرِّ غَاسِقٍ إِذَا وَقَبَ وَمِن شَرِّ النَّفَّاثَاتِ فِي الْعُقَدِ وَمِن شَرِّ حَاسِدٍ إِذَا حَسَدَ﴾.) (بسم الله الرحمن الرحيم ﴿قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ النَّاسِ مَلِكِ النَّاسِ إِلَهِ النَّاسِ مِن شَرِّ الْوَسْوَاسِ الْخَنَّاسِ الَّذِي يُوَسْوِسُ فِي صُدُورِ النَّاسِ مِنَ الْجِنَّةِ وَ النَّاسِ﴾)
([সূরা আল-ইখলাস (১১২)]( ১ ) বলুন, তিনি আল্লাহ, এক,( ২ ) আল্লাহ অমুখাপেক্ষী,( ৩ ) তিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং কারও থেকে জন্মগ্রহণও করেননি,( ৪ ) আর তাঁর সমতুল্য কেউ নেই।)([সূরা আল-ফালাক (১১৩)] ( ১ ) বলুন, আমি আশ্রয় চাচ্ছি ভোরের রবের কাছে,( ২ ) তিনি যা সৃষ্টি করেছেন তার অনিষ্ট থেকে,( ৩ ) এবং অন্ধকার রাতের অনিষ্ট থেকে, যখন তা ছেয়ে যায়,( ৪ ) এবং গিঁটে ফুঁৎকারকারিণীদের অনিষ্ট থেকে,( ৫ ) এবং হিংসুকের অনিষ্ট থেকে, যখন সে হিংসা করে। )([সূরা আন-নাস (১১৪)])( ১ ) বলুন, আমি আশ্রয় চাচ্ছি মানুষের রবের কাছে,( ২ ) মানুষের অধিপতির কাছে,( ৩ ) মানুষের ইলাহের কাছে,( ৪ ) আত্মগোপনকারী কুমন্ত্রণাদাতার অনিষ্ট থেকে -( ৫ ) যে মানুষের অন্তরে কুমন্ত্রণা দেয় -( ৬ ) জিন ও মানুষের মধ্য থেকে।
((أَصْبَحْنَا وَأَصْبَحَ الْمُلْكُ لِلَّهِ ، وَالْحَمْدُ لِلَّهِ، لاَ إِلَهَ إلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ، رَبِّ أَسْأَلُكَ خَيْرَ مَا فِي هَذَا الْيَوْمِ وَخَيرَ مَا بَعْدَهُ ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا فِي هَذَا الْيَوْمِ وَشَرِّ مَا بَعْدَهُ، رَبِّ أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْكَسَلِ وَسُوءِ الْكِبَرِ، رَبِّ أَعُوذُ بِكَ مِنْ عَذَابٍ فِي النَّارِ وَعَذَابٍ فِي الْقَبْرِ)). [ وإذا أمسى قال: أمسينا وأمسى الملك للَّه] [وإذا أمسى قال: رب أسألك خير ما في هذه الليلة، وخير ما بعدها، وأعوذ بك من شر ما في هذه الليلة، وشر ما بعدها.]
‘আমরা সকালে উপনীত হয়েছি এবং এই সময়ে সমগ্র রাজত্ব আল্লাহরই, আর সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য। এক আল্লাহ ছাড়া ইবাদতের যোগ্য কেউ নেই, তাঁর কোনো শরিক নেই; রাজত্ব ও প্রশংসা তাঁরই এবং তিনি সব কিছুর উপর ক্ষমতাবান। হে আমার রব! আমি আপনার কাছে এই দিনের কল্যাণ এবং এর পরবর্তী দিনের কল্যাণ প্রার্থনা করছি, আর আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাচ্ছি এই দিনের অনিষ্ট এবং এর পরবর্তী দিনের অনিষ্ট থেকে। হে আমার রব! আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাচ্ছি অলসতা ও বার্ধক্যের জড়তা থেকে। হে আমার রব! আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাচ্ছি জাহান্নামের আগুনের শাস্তি ও কবরের আযাব থেকে।’
((اللَّهُمَّ بِكَ أَصْبَحْنَا، وَبِكَ أَمْسَيْنَا ، وَبِكَ نَحْيَا، وَبِكَ نَمُوتُ وَإِلَيْكَ النُّشُورُ)). [وإذا أمسى قال: اللَّهم بك أمسينا، وبك أصبحنا، وبك نحيا، وبك نموت، وإليك المصير.]
(হে আল্লাহ! আপনার অনুমতিতেই আমরা সকালে উপনীত হয়েছি এবং আপনার অনুমতিতেই সন্ধ্যায় উপনীত হয়েছি, আপনার অনুমতিতেই আমরা বাঁচি ও মরি এবং আপনার কাছেই আমাদের পুনরুত্থান।)[সন্ধ্যায়:](হে আল্লাহ! আপনার অনুমতিতেই আমরা সন্ধ্যায় উপনীত হয়েছি এবং আপনার অনুমতিতেই সকালে উপনীত হয়েছি, আপনার অনুমতিতেই আমরা বাঁচি ও মরি এবং আপনার কাছেই আমাদের প্রত্যাবর্তন।)
((اللَّهُمَّ أَنْتَ رَبِّي لَا إِلَهَ إِلاَّ أَنْتَ، خَلَقْتَنِي وَأَنَا عَبْدُكَ، وَأَنَا عَلَى عَهْدِكَ وَوَعْدِكَ مَا اسْتَطَعْتُ، أَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا صَنَعْتُ، أَبُوءُ لَكَ بِنِعْمَتِكَ عَلَيَّ، وَأَبُوءُ بِذَنْبِي فَاغْفِرْ لِي فَإِنَّهُ لاَ يَغْفِرُ الذُّنوبَ إِلاَّ أَنْتَ)).
(হে আল্লাহ! আপনিই আমার রব, আপনি ছাড়া ইবাদতের যোগ্য কেউ নেই। আপনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন এবং আমি আপনার বান্দা। আমি যথাসাধ্য আপনার অঙ্গীকার ও প্রতিশ্রুতির উপর প্রতিষ্ঠিত আছি। আমি যা করেছি তার অনিষ্ট থেকে আপনার কাছে আশ্রয় চাচ্ছি। আমার প্রতি আপনার নিয়ামত আমি স্বীকার করছি এবং আমার গুনাহও স্বীকার করছি; অতএব আমাকে ক্ষমা করুন, কারণ আপনি ছাড়া গুনাহ ক্ষমা করার কেউ নেই।)
((اللَّهُمَّ إِنِّي أَصْبَحْتُ أُشْهِدُكَ، وَأُشْهِدُ حَمَلَةَ عَرْشِكَ، وَمَلاَئِكَتِكَ، وَجَمِيعَ خَلْقِكَ، أَنَّكَ أَنْتَ اللَّهُ لَا إِلَهَ إِلاَّ أَنْتَ وَحْدَكَ لاَ شَرِيكَ لَكَ، وَأَنَّ مُحَمَّداً عَبْدُكَ وَرَسُولُكَ)) (أربعَ مَرَّاتٍ).[ وإذا أمسى قال: اللَّهم إني أمسيت...]
(হে আল্লাহ! নিশ্চয়ই আমি সকালে উপনীত হয়েছি এবং আপনাকে, আপনার আরশ বহনকারী (ফেরেশতাগণকে), আপনার ফেরেশতাগণকে এবং আপনার সমগ্র সৃষ্টিকে সাক্ষী রাখছি যে, আপনিই আল্লাহ, আপনি ছাড়া ইবাদতের যোগ্য কেউ নেই, আপনি একক, আপনার কোনো শরিক নেই, এবং মুহাম্মাদ আপনার বান্দা ও রাসূল।) (সকাল ও সন্ধ্যায় চারবার)(বিঃদ্রঃ সন্ধ্যায় (আসবাহতু)-এর পরিবর্তে (আমসাইতু) বলতে হবে।)
((اللَّهُمَّ مَا أَصْبَحَ بِي مِنْ نِعْمَةٍ أَوْ بِأَحَدٍ مِنْ خَلْقِكَ فَمِنْكَ وَحْدَكَ لاَ شَرِيكَ لَكَ، فَلَكَ الْحَمْدُ وَلَكَ الشُّكْرُ)). [وإذا أمسى قال: اللَّهم ما أمسى بي...]
(হে আল্লাহ! আমি বা আপনার সৃষ্টির কেউ যে নিয়ামত নিয়ে সকালে উঠেছে, তা একমাত্র আপনার পক্ষ থেকে, আপনার কোনো শরিক নেই; অতএব আপনারই জন্য সমস্ত প্রশংসা এবং আপনারই জন্য শুকরিয়া।)(…যে ব্যক্তি সকালে এটি বলে, সে তার দিনের শুকরিয়া আদায় করল, আর যে সন্ধ্যায় এটি বলে, সে তার রাতের শুকরিয়া আদায় করল।)(বিঃদ্রঃ সন্ধ্যায় (আসবাহা)-এর পরিবর্তে (আমসা) বলতে হবে।)
((اللَّهُمَّ عَافِنِي فِي بَدَنِي، اللَّهُمَّ عَافِنِي فِي سَمْعِي، اللَّهُمَّ عَافِنِي فِي بَصَرِي، لاَ إِلَهَ إِلاَّ أَنْتَ. اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْكُفْرِ، وَالفَقْرِ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ القَبْرِ، لاَ إِلَهَ إِلاَّ أَنْتَ)) (ثلاثَ مرَّاتٍ).
(হে আল্লাহ! আমার শরীরকে সুস্থতা দিন, হে আল্লাহ! আমার শ্রবণশক্তিকে সুস্থতা দিন, হে আল্লাহ! আমার দৃষ্টিশক্তিকে সুস্থতা দিন। আপনি ছাড়া ইবাদতের যোগ্য কেউ নেই।)(তিনবার) (হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাচ্ছি কুফর ও দারিদ্র্য থেকে এবং আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাচ্ছি কবরের আযাব থেকে। আপনি ছাড়া ইবাদতের যোগ্য কেউ নেই। (তিনবার))
((حَسْبِيَ اللَّهُ لاَ إِلَهَ إِلاَّ هُوَ عَلَيهِ تَوَكَّلتُ وَهُوَ رَبُّ الْعَرْشِ الْعَظِيمِ)) (سَبْعَ مَرّاتٍ).
আল্লাহই আমার জন্য যথেষ্ট, তিনি ছাড়া ইবাদতের যোগ্য কেউ নেই, তাঁর উপরই আমি ভরসা করি এবং তিনিই মহান আরশের রব।’ (আরবিতে সাতবার পাঠ করতে হবে।)
((اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْعَفْوَ وَالْعَافِيَةَ فِي الدُّنْيَا وَالآخِرَةِ، اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْعَفْوَ وَالْعَافِيَةَ: فِي دِينِي وَدُنْيَايَ وَأَهْلِي، وَمَالِي، اللَّهُمَّ اسْتُرْ عَوْرَاتِي، وَآمِنْ رَوْعَاتِي، اللَّهُمَّ احْفَظْنِي مِنْ بَينِ يَدَيَّ، وَمِنْ خَلْفِي، وَعَنْ يَمِينِي، وَعَنْ شِمَالِي، وَمِنْ فَوْقِي، وَأَعُوذُ بِعَظَمَتِكَ أَنْ أُغْتَالَ مِنْ تَحْتِي)).
হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে দুনিয়া ও আখিরাতে ক্ষমা ও নিরাপত্তা প্রার্থনা করছি। হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে আমার দ্বীন ও দুনিয়ার বিষয়ে, আমার পরিবার ও সম্পদের ব্যাপারে ক্ষমা ও নিরাপত্তা প্রার্থনা করছি। হে আল্লাহ! আমার দোষত্রুটি ঢেকে রাখুন এবং আমার ভয়কে নিরাপত্তায় রূপান্তরিত করুন। হে আল্লাহ! আমাকে হেফাজত করুন আমার সামনে থেকে ও পেছন থেকে, ডান দিক থেকে ও বাম দিক থেকে এবং উপর থেকে; আর আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাচ্ছি, যেন আমি নিচ থেকে (মাটিতে ধসে গিয়ে) আকস্মিকভাবে ধ্বংস না হই।
((اللَّهُمَّ عَالِمَ الغَيْبِ وَالشَّهَادَةِ فَاطِرَ السَّمَوَاتِ وَالْأَرْضِ، رَبَّ كُلِّ شَيْءٍ وَمَلِيكَهُ، أَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ أَنْتَ، أَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ نَفْسِي، وَمِنْ شَرِّ الشَّيْطانِ وَشَرَكِهِ، وَأَنْ أَقْتَرِفَ عَلَى نَفْسِي سُوءاً، أَوْ أَجُرَّهُ إِلَى مُسْلِمٍ)).
(হে আল্লাহ! অদৃশ্য ও দৃশ্যের জ্ঞানী, আসমান ও যমীনের স্রষ্টা, সবকিছুর রব ও অধিপতি, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আপনি ছাড়া ইবাদতের যোগ্য কেউ নেই। আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাচ্ছি আমার নফসের অনিষ্ট থেকে, শয়তানের অনিষ্ট ও তার শিরক থেকে, এবং নিজের উপর কোনো অন্যায় করা থেকে অথবা কোনো মুসলিমের উপর তা চাপিয়ে দেওয়া থেকে।)(শিরক: আল্লাহর জন্য নির্দিষ্ট বিষয়ে অন্যকে তাঁর সাথে শরিক করা। এটি হতে পারে (১) বিশ্বাসে, যেমন আল্লাহ ছাড়া অন্য কেউ উপকার বা ক্ষতি করার ক্ষমতা রাখে বলে বিশ্বাস করা, (২) কথায়, যেমন আল্লাহ ছাড়া অন্যের নামে কসম করা এবং (৩) কাজে, যেমন আল্লাহ ছাড়া অন্যের সামনে রুকূ বা সিজদা করা।)
((بِسْمِ اللَّهِ الَّذِي لاَ يَضُرُّ مَعَ اسْمِهِ شَيْءٌ فِي الْأَرْضِ وَلاَ فِي السّمَاءِ وَهُوَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ)) (ثلاثَ مرَّاتٍ).
(আল্লাহর নামে, যাঁর নামের সাথে যমীন ও আসমানের কোনো কিছুই ক্ষতি করতে পারে না, আর তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।’(তিনবার))
((رَضِيتُ بِاللَّهِ رَبَّاً، وَبِالْإِسْلاَمِ دِيناً، وَبِمُحَمَّدٍ صلى الله عليه وسلم نَبِيّاً)) (ثلاثَ مرَّاتٍ).
(আমি আল্লাহকে রব হিসেবে, ইসলামকে দ্বীন হিসেবে এবং মুহাম্মাদ ﷺ-কে নবী হিসেবে সন্তুষ্টচিত্তে গ্রহণ করেছি।’(তিনবার))
((يَا حَيُّ يَا قَيُّومُ بِرَحْمَتِكَ أَسْتَغيثُ أَصْلِحْ لِي شَأْنِيَ كُلَّهُ وَلاَ تَكِلْنِي إِلَى نَفْسِي طَرْفَةَ عَيْنٍ)).
(হে চিরঞ্জীব, হে চিরস্থায়ী ও সবকিছুর ধারক! আপনার রহমতের ওসিলায় আমি সাহায্য প্রার্থনা করছি। আমার সকল বিষয় সংশোধন করে দিন এবং এক পলকের জন্যও আমাকে আমার নিজের উপর ছেড়ে দেবেন না।)
((أَصْبَحْنَا وَأَصْبَحَ الْمُلْكُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ، اللَّهُـمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ خَيْرَ هَذَا الْيَوْمِ:فَتْحَهُ، وَنَصْرَهُ، وَنورَهُ، وَبَرَكَتَهُ، وَهُدَاهُ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا فِيهِ وَشَرِّ مَا بَعْدَهُ)). [وإذا أمسى قال: أمسينا وأمسى الملك للَّه ربّ العالمين اللَّهم إني أسألك خير هذه الليلة: فتحها، ونصرها، ونورها، وبركتها، وهداها، وأعوذ بك من شر ما فيها، وشر ما بعدها.]
(আমরা সকালে উপনীত হয়েছি এবং এই সময়ে সমগ্র রাজত্ব সমগ্র জগতের রব আল্লাহরই। হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে এই দিনের কল্যাণ, এর বিজয় ও সাফল্য, এর নূর ও বরকত এবং এর হেদায়াত প্রার্থনা করছি, আর আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাচ্ছি এই দিনের অনিষ্ট এবং এর পরবর্তী অনিষ্ট থেকে।)[সন্ধ্যার জন্য দুআটি এভাবে পাঠ করতে হবে:](আমরা সন্ধ্যায় উপনীত হয়েছি এবং এই সময়ে সমগ্র রাজত্ব সমগ্র জগতের রব আল্লাহরই। হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে এই রাতের কল্যাণ, এর বিজয় ও সাফল্য, এর নূর ও বরকত এবং এর হেদায়াত প্রার্থনা করছি, আর আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাচ্ছি এই রাতের অনিষ্ট এবং এর পরবর্তী অনিষ্ট থেকে।)
((أَصْبَحْنا عَلَى فِطْرَةِ الْإِسْلاَمِ، وَعَلَى كَلِمَةِ الْإِخْلاَصِ، وَعَلَى دِينِ نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ صلى الله عليه وسلم، وَعَلَى مِلَّةِ أَبِينَا إِبْرَاهِيمَ، حَنِيفاً مُسْلِماً وَمَا كَانَ مِنَ الْمُشرِكِينَ)). [وإذا أمسى قال: أمسينا على فطرة الإسلام...]
(আমরা সকালে উপনীত হয়েছি ইসলামের ফিতরাতের উপর, ইখলাসের (একনিষ্ঠ ঈমানের) কালিমার উপর, আমাদের নবী মুহাম্মাদ ﷺ-এর দ্বীনের উপর এবং আমাদের পিতা ইবরাহীমের মিল্লাতের উপর, যিনি ছিলেন একনিষ্ঠ মুসলিম এবং যিনি মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন না।)(ফিতরাত: ইসলাম ধর্ম, ইবরাহীম (আলাইহিস সালাম)-এর পথ।)(বিঃদ্রঃ সন্ধ্যায় (আসবাহনা)-এর পরিবর্তে (আমসাইনা) বলতে হবে।)
((سُبْحَانَ اللَّهِ وَبِحَمْدِهِ)) (مائة مرَّةٍ).
(আল্লাহ কত পবিত্র এবং আমি তাঁর প্রশংসা করছি।)(একশ বার)
((لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ، وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ)) (عشرَ مرَّات) ، أَوْ (مرَّةً واحدةً عندَ الكَسَلِ).
(এক আল্লাহ ছাড়া ইবাদতের যোগ্য কেউ নেই, তাঁর কোনো শরিক নেই; রাজত্ব ও প্রশংসা তাঁরই এবং তিনি সব কিছুর উপর ক্ষমতাবান।)( [দশবার, অথবা অলসতা থাকলে একবার])
((لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ، وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ)) (مائةَ مرَّةٍ إذا أصبحَ).
(এক আল্লাহ ছাড়া ইবাদতের যোগ্য কেউ নেই, তাঁর কোনো শরিক নেই; রাজত্ব ও প্রশংসা তাঁরই এবং তিনি সব কিছুর উপর ক্ষমতাবান।)((প্রতিদিন একশ বার))
((سُبْحَانَ اللَّهِ وَبِحَمْدِهِ: عَدَدَ خَلْقِهِ، وَرِضَا نَفْسِهِ، وَزِنَةَ عَرْشِهِ، وَمِدَادَ كَلِمَاتِهِ)) (ثلاثَ مرَّاتٍ إذا أصبحَ).
(আল্লাহ কত পবিত্র এবং আমি তাঁর প্রশংসা করছি, তাঁর সৃষ্টির সংখ্যা পরিমাণ, তাঁর সন্তুষ্টি পরিমাণ, তাঁর আরশের ওজন পরিমাণ এবং তাঁর বাণীসমূহের কালি পরিমাণ।)(তিনবার)
((اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ عِلْماً نَافِعاً، وَرِزْقاً طَيِّباً، وَعَمَلاً مُتَقَبَّلاً)) (إذا أصبحَ).
(হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে উপকারী জ্ঞান, উত্তম রিযিক এবং কবুলযোগ্য আমল প্রার্থনা করছি।)
((أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ وَأَتُوبُ إِلَيْهِ)) (مِائَةَ مَرَّةٍ فِي الْيَوْمِ).
‘আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাচ্ছি এবং তাঁর কাছে তাওবা করছি।’ [প্রতিদিন একশ বার]
((أَعُوذُ بِكَلِمَاتِ اللَّهِ التَّامَّاتِ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ)) (ثلاثَ مرَّاتٍ إذا أمسى).
(আমি আল্লাহর পরিপূর্ণ বাণীসমূহের ওসিলায় তাঁর সৃষ্ট সকল কিছুর অনিষ্ট থেকে আশ্রয় চাচ্ছি।)(সন্ধ্যায় তিনবার)
((اللَّهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ عَلَى نَبَيِّنَا مُحَمَّدٍ)) (عشرَ مرَّاتٍ).
‘হে আল্লাহ! আপনি আমাদের নবী মুহাম্মাদ ﷺ-এর উপর দরুদ ও সালাম বর্ষণ করুন।’ [দশবার]